যারা গণতন্ত্রের বিকল্প জানতে চান, রূপরেখা দেখতে চান, তারা এই বইটি পড়ুন।
কারণ, এই বইতে Practically ইমারাহ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন সংগ্রাম এবং তার সফল উদাহরণ বিবৃত হয়েছে।
*** ইসলাম ও গণতন্ত্র
ইসলামি শাসনব্যবস্থার এই দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার পর যখন আমরা তাকে গণতন্ত্রের সাথে তুলনা করি, তখন পরিষ্কার দেখা যায় যে, ইসলাম ও গণতন্ত্র পরস্পরে সাংঘর্ষিক—যা কখনো একত্রিত হতে পারে না। উভয়টির মাঝে দৃষ্টিভঙ্গি, কর্মপন্থা ও বাস্তবতার বিচারে এ পরিমাণ বৈপরীত্য রয়েছে যে, যাকে কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। কেননা, ইসলামি শাসনব্যবস্থার—যাকে খিলাফত শব্দে ব্যক্ত করা হয়, মূল মাকসাদ হলো— দ্বীন কায়েম করা। পক্ষান্তরে গণতন্ত্রের মাকসাদ এটা নয়। ফলে গণতান্ত্রিক অভিধানে দ্বীনের পূর্ণ চিত্র তো শুরু থেকেই নেই। উক্ত লেখকের বক্তব্য অনুযায়ী তো গণতন্ত্রের উদ্দেশ্য হলো—সামাজিক বিষয়াদি জনসাধারণের অধিকাংশের রায়ে পরিচালিত হবে। এর উপর কোনো প্রকার নিষেধাজ্ঞা চলবে না, তাদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বিবেচিত হবে, চাই তা দ্বীন ও শরীয়ত অনুযায়ী হোক বা এর বিপরীত। খিলাফত ও ইসলামি শাসনব্যবস্থায় সর্বময় ক্ষমতা থাকে দ্বীন ও শরীয়তের, বিপরীতে গণতন্ত্রে সর্বময় ক্ষমতা থাকে জনসাধারণের হাতে।








Reviews
There are no reviews yet.