বর্তমান বিশ্বে ইউরোশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র হলো তুরস্ক। যা সাধারণ ভাবেই আমরা অনুধাবন করতে পারছি।ইউরোপের রুগ্ন দেশ তুরস্ক হঠাৎ করেই বদলে গেল।উসমানী ঘোড়ার খুরের আওয়াজ নতুন করে শুনতে পাচ্ছে বিশ্ববাসী।
বর্তমানে অধিকাংশ নির্যাতিত মুসলিম জাতি ফেলফেল করে তাকিয়ে আছে তুরস্কের দিকে।তুরস্কও তাদের সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করে যাচ্ছে ওসমানী খেলাফতের আরেকটি উন্মেষ ঘটাতে।
বসফরাস প্রণালি তীরে আজ নতুন ঢেউ যেন আঘাত হানছে।মুসলিম জাতি কে ষড়যন্ত্রের উত্তাল সমুদ্রে একজন সিন্দাবাদের ভূমিকা পালন করছে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িপ এরদোয়ান।
বইটি পাঁচটি পর্বে বিভক্ত হয়েছে। যথাঃ
📝প্রথম দিনগুলো ও তুরস্কের ইতিহাস
📝ভ্রমণ কথন
📝মৌলিক বিষয়সমূহ
📝নানা সংস্কৃতি ও অন্যান্য বিষয়াবলি
📝রাজনীতি ও সমসাময়িক তুরস্ক
বইটি পাঠক সমাজে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে, কেননা সাধারণ ভাবে তুরস্ক সম্পর্কে জানতে মানুষ এখন ব্যাপক আগ্রহী। তারই আদলে রচিত এই বইটি, তুরস্ক সংস্কৃতি, কৃষ্টিকালচার ব্যবহারিক জীবন-যাপন
,অভ্যাস বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানার জন্যে বইটি বেশ মানানসই।
তুরস্কের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের বর্ণনা গুলো খুবই নিখুঁত ভাবে,বর্ণনা করা হয়েছে।
লেখক, তুরস্ক গমনের পর থেকে, আজ অবধি নতুন নতুন অনেকগুলো অভিজ্ঞতা তুলে ধরছেন।প্রাথমিক ভাবে নতুন রাষ্ট্র ভ্রমণে কি কি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় সবগুলোই বিস্তারিত বলা হয়েছে।
এছাড়া কামাল আতাতুর্ক সেকুলারিজম থেকে আস্তে আস্তে তুর্কি জাতি কিভাবে বের হয়ে এসেছে,তাদের বর্তমান কি পরিস্থিতি সকল বিষয় গল্পাকারে লেখক আমাদের কাছে তুলে ধরেছেন।
মজার মজার কিছু ভ্রমণ কাহিনি তুলে দিয়েছেন, যার ফলে বইটি পড়তে কোন ক্লান্তি আসে না।একটি জাতি কে বই পড়ে জানা কখনো সম্ভব নয়। তবুও সাময়িক ভাবে একটা জাতির সকল বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে বইটিতে।
[বইটি তুরস্ক ভ্রমণের একটি গাইডলাইন ও বলা চলে।]
বইটি কখনো সংস্কার হলে “আয়া সোফিয়া” নিয়ে কিছু যুক্ত করার অনুরোধ রইলো।
আশা করি যে কোন ধরনের পাঠক এই বইটি পড়ে তৃপ্তি পাবেন।ইনশাআল্লাহ




Reviews
There are no reviews yet.